খুঁজুন
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঈদের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি, বন্ধেও খোলা থাকবে যেসব অফিস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
ঈদের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারি, বন্ধেও খোলা থাকবে যেসব অফিস

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে এ বন্ধেও জরুরি সেবা দেওয়া অফিসগুলোর কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস আগামী ২৫ মে সোমবার থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং আগামী ২৩ মে শনিবার ও ১৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জরুরি পরিষেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। এতে জানানো হয়, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ঔষধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সাথে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও এই ছুটির আওতা বাইরে থাকবে। ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বেসরকারি খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান/কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

চারদিন পর খুলে দেওয়া হলো ববি

বরিশাল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
চারদিন পর খুলে দেওয়া হলো ববি

বরিশাল প্রতিনিধি : চারদিনের কমপ্লিট শার্টডাউনের পর তালা খুলে দেওয়া হলো বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের। বৃহস্পতিবার বেলা  ১১ টার দিকে ভিসির অফিস আদেশের পরিপেক্ষিতে নিজ নিজ দপ্তরের তালা খুলে অফিসিয়াল কাজ শুরু করা হয়েছে।

তবে শ্রেণিকক্ষগুলো খোলা হলেও পাঠদান এখনো শুরু হয়নি। একইসাথে যাদের পরীক্ষা রয়েছে সেই পরীক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়নি নিজ নিজ বিভাগ থেকে। অপরদিকে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ঈদের ছুটিতে বন্ধ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে আন্দোলনে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো ঈদের আগে হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছেন দপ্তরগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্তরা।

উল্লেখ্য, গত ১১ মে থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষকদের চার দফা দাবিতে কমপ্লিট শাটডাউনের আওতায় ছিলো বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।

শিক্ষা-কর্মসংস্থান-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থা গড়তে চাই : মোঃ হারুন-উর রশীদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষা-কর্মসংস্থান-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থা গড়তে চাই : মোঃ হারুন-উর রশীদ

বিশেষ প্রতিবেদন: ওয়ালশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত ওয়ালশ জাতীয় পরিষদ এর মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ হারুন-উর রশীদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন – আমাদের কমিউনিটি সর্বক্ষেত্রে অনেক অবদান রাখছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে তারা পিছিয়ে থাকে। আমি চাই তাদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হোক—শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তায়। নতুন প্রজন্মকে দক্ষ ও আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিভিন্ন সংগঠন, চ্যারিটি ও সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে কাজ করেছি। এই অভিজ্ঞতা আমাকে মানুষের প্রয়োজন বুঝতে সাহায্য করেছে এবং বাস্তবসম্মত সমাধান ভাবতে শিখিয়েছে।

পাশাপাশি সাংবাদিকতা আমাকে মানুষের কথা শুনতে ও সত্য তুলে ধরতে শিখিয়েছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সমস্যার সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। এটি আমার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তবভিত্তিক করেছে।
আর তরুণদের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। তারা যেন সচেতনভাবে ভোট দেয় এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব নেয়। আমি তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে চাই।
আমি চাই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে, যেখানে সবাই সমান সুযোগ পাবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

কমিউনিটির উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হারুন-উর রশীদ আরো বলেন – আমি আপনাদেরই একজন। আপনাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করতে এগিয়ে যেতে চাই। আপনাদের সমর্থন পেলে আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করবো।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত সিলেটের কৃতি সন্তান মোঃ হারুন-উর রশীদ যুক্তরাজ্য সেনেড ২০২৬ এর সপ্তম নির্বাচনে সাউথ ওয়ালশ থেকে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি সবার নিকট ভোট ও দোয়া প্রার্থী। ওয়ালশ ও বাংলাদেশী ওয়েলস নাগরিকগণের জন্য একটি সুন্দর-সমৃদ্ধ-নিরাপদ আগামীর বিনির্মাণে- ওয়েলস পার্লামেন্টে তাঁর বিজয়-সাফল্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করি।
উল্লেখ্য – মোঃ হারুন-উর রশীদ সিলেট জেলা ওসমানী নগর উপজেলাধীন তাজপুর ইউ পি এর মোল্লাপাড়া ( আদর্শ গ্রামে ) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মোঃ আজমান আলী ও মাতা মোছাঃ জামিলা খাতুনের দ্বিতীয় পুত্র, এবং তিনি তিন সন্তানের জনক। একজন শিক্ষানূরাগী , সমাজসেবী সাংবাদিক ও রাজনীতিক হিসেবে মোঃ হারুন-উর রশীদ সবার কাছে সমাদৃত এবং জনপ্রিয়।

এবার ইসিতে শাপলা প্রতীক চেয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবেদন।

এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৪২ পূর্বাহ্ণ
এবার ইসিতে শাপলা প্রতীক চেয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবেদন।

এইচ এম গোলাম কিবরিয়া রাকিব।।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে শাপলা প্রতীক চেয়ে শুরু থেকেই দেনদরবার করে আসছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে ইসির পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পায়নি দলটি। এখনও দফায় দফায় ইসিকে চিঠি দিয়ে যাচ্ছে এনসিপি। এই আলোচনার মধ্যেই এবার শাপলা প্রতীক চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস ।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) শাপলা প্রতীক চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে এ সংক্রান্ত আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম।
আবেদনে বাংলাদেশ কংগ্রেস উল্লেখ করেছে, সম্প্রতি অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকেও ‘শাপলা’ প্রতীক চাওয়া হয়েছে। যদি সরকার ‘শাপলা’কে দলীয় প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে এই প্রতীকের প্রথম দাবিদার হিসেবে বাংলাদেশ কংগ্রেসকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ কংগ্রেস দলীয় প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ ব্যবহার করে আসছে। দলের প্রথম প্রচারপত্র থেকে শুরু করে সব নথিপত্রে শৈল্পিক ডিজাইনের ‘শাপলা’ লোগো হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে ২০১৭ সালে নিবন্ধনের আবেদন করার সময় নির্বাচন কমিশন ‘শাপলা’কে জাতীয় প্রতীক উল্লেখ করে দলীয় প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না বলে জানায়।
নির্বাচন কমিশনের ওই আপত্তির পর দলটি বিকল্প হিসেবে ‘বই’ প্রতীক প্রস্তাব করে আবেদন জমা দেয় উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাংলাদেশ কংগ্রেসের নিবন্ধন দেয়া হলেও, গেজেটভুক্ত প্রতীকের বাইরে প্রতীক দেয়া সম্ভব নয় জানিয়ে কমিশন তাদের ‘ডাব’ প্রতীক নিতে বাধ্য করে। সম্প্রতি অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকেও ‘শাপলা’ প্রতীক চাওয়া হয়েছে এবং যদি সরকার জাতীয় প্রতীক ‘শাপলা’কে দলীয় প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে প্রথম দাবিদার হিসেবে বাংলাদেশ কংগ্রেসকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে।