খুঁজুন
, ,

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও হাত ধোয়া কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসন ও জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
এদিন সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন। এ ছাড়া বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীরা আলোচনায় অংশ নেন।
মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার সরকার। তিনি জানান, সঠিকভাবে হাত না ধোয়ার কারণে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিশু ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশ শিশুর মৃত্যু হয়।
বক্তারা করোনাকালীন হাত ধোয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, খাবার খাওয়ার আগে ভালোভাবে হ্যান্ডওয়াশ বা সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। রান্নার সময় গৃহিণীদেরও খেয়াল রাখতে হবে, যাতে হাতে শাকসবজির ময়লা লেগে না থাকে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী জন পলাশ হাসদা। পরে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি শেখানো হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সচেতনতায় পুলিশের বিশেষ কর্মশালা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সচেতনতায় পুলিশের বিশেষ কর্মশালা

মাদক, বাল্যবিবাহ, আত্মহত্যা, যৌতুক, ইভটিজিং, সাইবার সুরক্ষা, ট্রাফিক আইন ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) চাঁপাইনবাবগঞ্জের নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে জেলা সদর মডেল থানা ও ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পুলিশ সুপার বলেন, “আজকের কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সচেতন নাগরিক। মাদক অনেক অপরাধের অন্যতম কারণ। মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই একটি সম্ভাবনাময় জাতি গঠন সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এটি শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ নষ্ট করে। ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের এবং ২১ বছরের নিচে ছেলেদের বিয়ে আইনত নিষিদ্ধ। বাল্যবিবাহের কারণে শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে এবং পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হতে পারে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে ৯৯৯ নম্বরে অথবা নিকটস্থ থানায় জানানোর জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন। আত্মহত্যা প্রতিরোধ সম্পর্কে পুলিশ সুপার বলেন, “জীবন অমূল্য, কোনো সমস্যাই জীবনের চেয়ে বড় নয়। পরীক্ষায় খারাপ ফল, পারিবারিক চাপ, ইভটিজিং কিংবা মানসিক কষ্টের কারণে আত্মহত্যার মতো ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। মন খারাপ বা হতাশা লাগলে পরিবার, শিক্ষক, বন্ধু অথবা পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে হবে। মনে রাখতে হবে, আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়।” কর্মশালায় সাইবার সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা, ডিজিটাল প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় এবং অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় জেব্রা ক্রসিং, ফুটওভার ব্রিজ ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ‘সততা স্টোর’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। মাদক, ধূমপান, যৌতুক, ইভটিজিং, অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ বা ‘ব্যাড টাচ’, প্রতারণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে নিজেদের জিজ্ঞাসা তুলে ধরে। পরে কুইজ প্রতিযোগিতায় সঠিক উত্তরদাতা শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়। এ সময় এএসপি (প্রবেশনার), সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য, নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার প্রতিপাদ্য ছিল “আইন মেনে চলব, নিরাপদ জীবন গড়ব—সচেতন নাগরিক হব।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে কেবল আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন চালক, পথচারী ও সর্বস্তরের মানুষের সচেতনতা। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। দক্ষ চালক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সবাই সতর্ক হলে সড়ক হবে নিরাপদ ও সুন্দর।
তিনি আরও বলেন, মাদকাসক্ত বা ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ স্থান কিংবা বাঁকে ওভারটেকিং করা এবং অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. কে. এম. শাহাব উদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. একরামুল হক, জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. দানিউল হক, ট্রাক-ট্যাংকলরি-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, নিরাপদ সড়ক চাই-এর সভাপতি ফারুকা বেগমসহ বিআরটিএর কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. আমিনুল হক আবীর। এর আগে সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্বরোড মোড়ের ট্রাফিক বক্সের সামনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কেলের উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরযানচালক, পরিবহনমালিক, সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে বিভিন্ন তথ্যচিত্র ও পরামর্শের মাধ্যমে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

উল্লাপাড়ায় বাল্যবিবাহ, কাজী মতিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

হাফিজুর রহমান, সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
উল্লাপাড়ায় বাল্যবিবাহ, কাজী মতিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের বিয়ে নিবন্ধন এবং কাবিননামায় ১০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণের অভিযোগ উঠেছে ১৩নং-সলপ ইউনিয়নের কাজী আ. মতিনের বিরুদ্ধে। বরের পরিবারের অভিযোগ, দেনমোহরের পরিমাণ গোপন রেখে তাঁদের কাছ থেকে কাবিননামায় স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এ ঘটনায় বাল্যবিবাহ নিবন্ধন, নথির স্বচ্ছতা ও কাজীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পরিবারটির দাবি,১৪ জুলাই ২০২৩ সালে কৌশলে তাঁদের নাবালক ছেলেকে ডেকে নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে কাজী আ. মতিনের মাধ্যমে কাবিননামায় স্বাক্ষর নেওয়া হয়। দেনমোহরের পরিমাণ জানতে চাইলেও তা জানানো হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের। পরবর্তীতে আদালতের নথি ও কাবিননামার সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করে তাঁরা দেনমোহর ১০ লাখ টাকা দেখতে পান। কাবিননামার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২৩, পাতা নম্বর ২৩ উল্লেখ করে ভুক্তভোগী পরিবার বলছে, সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করলেই বিয়ের সময় বরের বয়স এবং নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্বপ‚র্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। তাঁদের দাবি, বিয়ের নিবন্ধন ও দেনমোহর নির্ধারণে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, কাজী আ. মতিনের বিরুদ্ধে এ ধরনের আরও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সিরাজগঞ্জ জেলা কাজী কমিটির নেতাদেরও অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবারটি। এ বিষয়ে কাজী আ. মতিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দৈনিক স্বাধীন দেশকে বলেন, “বাল্যবিবাহ করিয়েছি, তাতে কী হয়েছে? এমন বাল্যবিবাহ তো অনেক কাজীই করাচ্ছেন। তাঁদের নামেও সংবাদ প্রকাশ করেন।” বাংলাদেশের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী, সাধারণভাবে ২১ বছর প‚র্ণ হয়নি এমন পুরুষ এবং ১৮ বছর প‚র্ণ হয়নি এমন নারী অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বিবেচিত। আইনটির ব্যতিক্রমী বিধান প্রযোজ্য ছিল কি না, তা সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করতে হবে। বরের বয়স ১৬ বছর হয়ে থাকলে এবং আইনগত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য না হলে বিয়েটির নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভ‚মিকা নিয়ে গুরুতর আইনগত প্রশ্ন উঠতে পারে। এ অবস্থায় বরের বয়স প্রমাণের নথি, কাবিননামার ম‚ল কপি, বিয়ে নিবন্ধনের রেজিস্টার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দলিল পরীক্ষা করা জরুরি। একই সঙ্গে দেনমোহর নির্ধারণ, স্বাক্ষর গ্রহণ এবং নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার উল্লাপাড়া উপজেলা প্রশাসন, উল্লাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক এবং জেলা নিকাহ রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি সত্যতা প্রমাণিত হলে সলপ ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী আ. মতিনসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে পরিবারটি।