খুঁজুন
, ,

জনগণের প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি, সংস্কারেই মিলবে মুক্তি: স্পিকার হাফিজ

মোঃ সুলাইমান, ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
জনগণের প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি, সংস্কারেই মিলবে মুক্তি: স্পিকার হাফিজ

‘এখনো মনে হচ্ছে জনগণ যা আশা করে, এখন পর্যন্ত তা পায়নি। এর কারণ হচ্ছে, সংস্কার প্রক্রিয়া আইনগতভাবে এখনো শুরু হয়নি।’—জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এমপি এমন মন্তব্য করে বলেছেন, সংসদের আগামী অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দল সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে একমত হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করা সম্ভব হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আইনে যেসব পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, সেসব পরিবর্তন করা গেলে গত ১৬-১৭ বছরের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পাবে। তাই এখনই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এই সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস।
তিনি বলেন, গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের কারণে দেশের প্রতিটি স্তর, বিভাগ ও এলাকায় ধস নেমেছে। হত্যা, গুম, খুন, মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ হয়েছে। বিগত সরকারের অবৈধ কর্মকাণ্ড দেশকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সময় লাগবে। সাত মাস খুবই অল্প সময় হলেও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, কীভাবে সংস্কার করা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো পুরোপুরি ঐকমত্য হয়নি। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কিছুটা অসুবিধা দেখা দিয়েছে। তবে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ও নির্বাচনে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া দলগুলো সমঝোতায় এলে দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের বঞ্চনা ও দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শেষ হলে তখন জনগণ কাঙ্ক্ষিত ফল দেখতে পাবেন।
বাকস্বাধীনতা প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, ‘দেশের জনগণ এখন বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। আওয়ামী লীগ আমলে সত্য কথা বলা সম্ভব ছিল না। সত্য কথা বলার কারণে অনেককে ক্রসফায়ারে জীবন দিতে হয়েছে, বহু মানুষ গুম হয়েছেন।’
তিনি বলেন, বিএনপির সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী ও পারভেজসহ আরও অনেকে দেশে বাকস্বাধীনতা না থাকার কারণে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন। এখন সেই পরিবেশ নেই। সরকারের সমালোচনা করা যাচ্ছে।
সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের সম্পর্কের বিষয়ে স্পিকার বলেন, বিরোধী দলের নেতা যেসব প্রস্তাব দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং জবাব দিয়েছেন। বিরোধী দলের যেসব অভিযোগ ছিল, সেগুলো কিছুটা দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চার দিনের সফরে গত শুক্রবার ভোলায় আসেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এমপি। শনিবার ও রোববার তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সোমবার সকাল ১১টার দিকে ফেরিযোগে লাহারহাট ঘাটের উদ্দেশে ভোলা ত্যাগ করেন স্পিকার। দুপুরে বরিশাল সার্কিট হাউজে অবস্থান শেষে বিকেল ৩টার দিকে তাঁর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বিরল সীমান্তে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় মদ উদ্ধার করল বিজিবি

মোঃ নজরুল ইসলাম  দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
বিরল সীমান্তে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় মদ উদ্ধার করল বিজিবি
দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৫০০ টাকা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ৩১ অক্টোবর দিবাগত রাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীনস্থ ধর্মজান বিওপির সদস্যরা বিরল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৪৭ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোরাচালানকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বিজিবি। দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, সীমান্তে অপরাধী চক্রের কোনো অপতৎপরতাই নজর এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
 চোরাচালান ও মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কার্যকর নজরদারীর মাধ্যমে দায়ীত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা। সীমান্তের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ন রাখা এবং চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সচেতনতায় পুলিশের বিশেষ কর্মশালা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সচেতনতায় পুলিশের বিশেষ কর্মশালা

মাদক, বাল্যবিবাহ, আত্মহত্যা, যৌতুক, ইভটিজিং, সাইবার সুরক্ষা, ট্রাফিক আইন ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) চাঁপাইনবাবগঞ্জের নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে জেলা সদর মডেল থানা ও ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পুলিশ সুপার বলেন, “আজকের কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সচেতন নাগরিক। মাদক অনেক অপরাধের অন্যতম কারণ। মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই একটি সম্ভাবনাময় জাতি গঠন সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এটি শিশুর সুন্দর ভবিষ্যৎ নষ্ট করে। ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের এবং ২১ বছরের নিচে ছেলেদের বিয়ে আইনত নিষিদ্ধ। বাল্যবিবাহের কারণে শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয়, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে এবং পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হতে পারে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে ৯৯৯ নম্বরে অথবা নিকটস্থ থানায় জানানোর জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেন। আত্মহত্যা প্রতিরোধ সম্পর্কে পুলিশ সুপার বলেন, “জীবন অমূল্য, কোনো সমস্যাই জীবনের চেয়ে বড় নয়। পরীক্ষায় খারাপ ফল, পারিবারিক চাপ, ইভটিজিং কিংবা মানসিক কষ্টের কারণে আত্মহত্যার মতো ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। মন খারাপ বা হতাশা লাগলে পরিবার, শিক্ষক, বন্ধু অথবা পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে হবে। মনে রাখতে হবে, আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়।” কর্মশালায় সাইবার সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা, ডিজিটাল প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় এবং অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় জেব্রা ক্রসিং, ফুটওভার ব্রিজ ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ‘সততা স্টোর’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। মাদক, ধূমপান, যৌতুক, ইভটিজিং, অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ বা ‘ব্যাড টাচ’, প্রতারণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে নিজেদের জিজ্ঞাসা তুলে ধরে। পরে কুইজ প্রতিযোগিতায় সঠিক উত্তরদাতা শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়। এ সময় এএসপি (প্রবেশনার), সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য, নামোশংকরবাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার প্রতিপাদ্য ছিল “আইন মেনে চলব, নিরাপদ জীবন গড়ব—সচেতন নাগরিক হব।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. মুসা জঙ্গী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে কেবল আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন চালক, পথচারী ও সর্বস্তরের মানুষের সচেতনতা। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। দক্ষ চালক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সবাই সতর্ক হলে সড়ক হবে নিরাপদ ও সুন্দর।
তিনি আরও বলেন, মাদকাসক্ত বা ক্লান্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ স্থান কিংবা বাঁকে ওভারটেকিং করা এবং অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে। নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. কে. এম. শাহাব উদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. একরামুল হক, জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. দানিউল হক, ট্রাক-ট্যাংকলরি-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, নিরাপদ সড়ক চাই-এর সভাপতি ফারুকা বেগমসহ বিআরটিএর কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. আমিনুল হক আবীর। এর আগে সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্বরোড মোড়ের ট্রাফিক বক্সের সামনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কেলের উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরযানচালক, পরিবহনমালিক, সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে বিভিন্ন তথ্যচিত্র ও পরামর্শের মাধ্যমে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি তাঁদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।