খুঁজুন
, ,

বিচার চাই, অপেক্ষা নয়, নারী ও শিশু নির্যাতন বিচারে সংকট কত গভীর?

তৌহিদুর রহমান হিসান
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
বিচার চাই, অপেক্ষা নয়, নারী ও শিশু নির্যাতন বিচারে সংকট কত গভীর?

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা এখন বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধর্ষণ ও নারী-শিশু নির্যাতনের বহু আলোচিত মামলার বিচার সম্পন্ন হতে বছরের পর বছর সময় লেগে যাচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা, সাক্ষ্যগ্রহণে জটিলতা এবং উচ্চ আদালতে শুনানি বিলম্বিত হওয়ার কারণে বিচার কার্যক্রম ধীরগতির হয়ে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য বলছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালগুলোতে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সাক্ষীর অনুপস্থিতি, প্রমাণগত দুর্বলতা এবং আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘস‚ত্রতার কারণে দিন দিন বাড়ছে মামলাজট। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে ৪২ হাজারের বেশি মামলা পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। অর্থাৎ মোট বিচারাধীন মামলার প্রায় ২৩ শতাংশ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে, যা বিচারপ্রত্যাশীদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা ১০১টি। এসব আদালতে গড়ে প্রায় ১ হাজার ৮০০টি করে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিপুল সংখ্যক মামলার তুলনায় আদালতের সংখ্যা এখনো অপ্রতুল। ফলে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা এবং মামলাজট কমানো বিচার বিভাগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় থাকা ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের মধ্যে সময় পার করছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা কার্যত এক ধরনের ‘আইনি অচলাবস্থার’ মধ্যে আটকে পড়েছে। তবে দীর্ঘদিনের এই বিচারজটের মধ্যেই স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে হাইকোর্ট বিভাগে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত শুনানির জন্য গত রবিবার থেকে হাইকোর্টে একটি বিশেষ বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর এ সংক্রান্ত মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টে দ্রুত শুনানির জন্য গত রবিবার আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। এরপর প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত জানান এবং গত রবিবার থেকে সেই বেঞ্চের বিচারিক কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দেন। পরে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান অ্যাটর্নি জেনারেল। বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে নেওয়া এ উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ আদালতে আটকে থাকা মামলাগুলোর নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে, বিচারপ্রত্যাশী ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে, এই বিশেষ বেঞ্চের প্রথম রায় দিয়েছে। যশোরের স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী খালাস। তদন্তে দুর্বলতা ও যথাযথ সাক্ষ্য না থাকায় যশোরের অভয়নগরে ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে স্ত্রী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী আব্দুল্লাহকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স খারিজ করে এ রায় দেন। এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৯ সালে আসামি আব্দুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১। নিয়ম অনুসারে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পর আসামি জেল আপিল করেন। ১০ জুন প্রধান বিচারপতি নারী ও শিশু মামলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করেন। সেই বেঞ্চে ১৪ জুন এ মামলার শুনানি শুরু হয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার পর ৪৪টি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। তবে এসব মামলার অধিকাংশেই দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মামলার চাপ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি আইন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্টের তদারকি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে হবে। একজন সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বলেন, মামলার সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিচারকরা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সময় দিতে পারছেন না। এছাড়া অনেক মিথ্যা মামলা দায়ের হওয়ায়ও জট বাড়ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আইন অনুযায়ী দ্রæত বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে তা অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর হচ্ছে না। বছরের পর বছর অপেক্ষা, আদালতের ধীরগতি এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার এখনো অনিশ্চিতই থেকে যাচ্ছে।

 

 

ছবি-৫

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টায় শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টায় শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. গোলাম কবির (৫৪) নামে এক শিক্ষককে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মাইনুদ্দিন হিরা এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. গোলাম কবির শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুর (কাঠালিয়াপাড়া) এলাকার মৃত তাজেবুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলার ছত্রাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শারীরিক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষক ছিলেন। আদালত ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ আগস্ট বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী জীববিজ্ঞানের বই চাইলে শিক্ষক গোলাম কবির তাকে ২৩ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয়ে আসতে বলেন।
কথা মতো ওই ছাত্রী সেদিন বিদ্যালয়ে গেলে ওই শিক্ষক তাকে স্কুল শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের অফিস কক্ষে নিয়ে যান। পরে অফিস কক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে অফিসের গ্লাস ভেঙে ফেললে মেয়েটি রক্ষা পায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে হাতেনাতে আটক করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের চাচা মো. শাহজাহান আলী বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনীয় ২০২০) এর ১০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।
মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. আব্দুস সালাম এবং বিবাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. নাজমুল আজম।
রায় ঘোষণার পর বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুস সালাম সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের অনৈতিক আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক ও অপমানজনক। এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ফলে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর সাহস করবেন না, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এ দিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুল আজমের দাবি, আদালত ৯ এর ধারা ধর্ষণ চেষ্টা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। যার কারণে শ্লীলতাহানির ১০ ধারায় আমার মক্কেলকে সাজা দিয়েছেন। তাই আমরা আপিল করব।

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য, সোনাইমুড়ীতে কবিরাজি চিকিৎসার নামে প্রতারণা

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য, সোনাইমুড়ীতে কবিরাজি চিকিৎসার নামে প্রতারণা
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে চলছে ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার নামে প্রতারণা। এতে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  বিভিন্ন জটিল রোগ থেকে সারিয়ে তোলার কথা বলে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজের মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন।অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের মৃত মোজাফফর আহমেদের পুত্র মানিক ওরফে মানিকখোনার সর্বরোগ নিরাময়ের নামে ভুয়া  কবিরাজি, অপচিকিৎসা ও রমরমা প্রতারণার জালে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।আইন লঙ্ঘন, ভুয়া লাইসেন্স প্রদর্শন ও জীবনহানির মারাত্মক ঝুঁকিতে হাজারো সমস্যাগ্রস্ত রোগীরা।  চিকিৎসাবিদ্যার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নেই।নেই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) বা কোনো স্বীকৃত আয়ুর্বেদিক/ইউনানী বোর্ডের ন্যূনতম নিবন্ধন।
বাংলাদেশে হাইকোর্ট এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী অনিবন্ধিত ও ভুয়া কবিরাজি বা তান্ত্রিক চিকিৎসা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দেশের উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা ও আইন থাকা সত্ত্বেও ভুয়া কবিরাজ আইন অমান্য করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা ও অপচিকিৎসা চালিয়ে আসছে। তথ্য বলছে, উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের মৌলভী আব্দুল খালেকের পুত্র গোলাম ফারুক মানিক খোনারের ভুয়া কবিরাজি বন্ধ চেয়ে মহামান্য হাইকোর্টে ২৩৫৪/১৭ একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। রিট পিটিশনের আলোকে তৎকালীন সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ফয়সাল সরে জমিনে গিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করেন। পরে তিনি ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে মতামত দাখিল করেন। এরপরও তার কবিরাজি ব্যবসা পরিচালনা করায় গত (৩) জানুয়ারি ২০১৭ সালে  সাবেক ইউএনও রবিউল ফয়সাল তাকে গ্রেফতার করেন। গাড়িতে উঠানোর পর তার অনুগত বাহিনী ইউএনওর গাড়ি ভাঙচুর করে এবং মানিক খোনারকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বোমা ফাটিয়ে তাণ্ডব সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ইউএনও তাকে না পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে তার সহযোগী মেয়ে মিম ও মিলন নামক (২) দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।সে সময় ইউএনও  ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মিলনকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রধান করেন। এবং তার অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেন। সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইশরাত জাহান তার আস্তানায় সিলগালা করেন।পরে তিনি মুচলেকা দেন।এ বিষয়ে মানিক খোনারের মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার বলেন,তার বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। তবুও সে কবিরাজি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জয়পুরহাটে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটে প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭.৩০ ঘটিকায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘জয়পুরহাট সংগীত চক্র’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। গীতিকবি তাজ বিন নুরের স্বরচিত গান পরিবেশিত হয় উক্ত অনুষ্ঠানে। দুইটি নজরুল গীতি এবং তাজ বিন নূরের ১৭ টি স্বরচিত গান ও একটি স্বরচিত কবিতা বিদ্রোহী নই পরিবেশিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ জেলার চারজন জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার বিজ্ঞ বিচারকবৃন্দ ও বিচার বিভাগের অন্যান্য বিজ্ঞ বিচারকমন্ডলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব আরিফ হোসেন, জয়পুরহাট জেলার বিজ্ঞ জিপি এ্যাডঃ জনাব সালামত আলী জয়পুরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ আব্দুর মোমেন ফকির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ডঃ হারুনুর রশিদসহ অন্যান্য অতিথিগণ।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ বেতার রংপুরের তালিকাভুক্ত শিল্পী ড. জাফর ইমাম, জাকিয়া ফারহানা চৌধুরী,রতন মালি আবুল কালাম, অনুপ, মিজানুর, ম.হাসান, নয়ন, ডাঃজান্নাতুল নূরী ইরা। নওগাঁ জেলার কণ্ঠশিল্পী এনামুল হক মধুর একক ও যৌথ পরিবেশনা বিশেষ করে বাবা ও মাকে নিয়ে রচিত গান দর্শক-শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। শ্রোতাগণ আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ ধরনের সংগীতানুষ্ঠান অপসংস্কৃতির ভিড়ে সুস্থ সংস্কৃতির জন্ম দেবে।