খুঁজুন
, ,

শিক্ষার উন্নয়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

জান্নাতুল মাওয়া
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষার উন্নয়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খান। গত রোববার (৯ আগস্ট) এ সাক্ষাতে শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং এক্ষেত্রে জাতিসংঘের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের নেয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত আইরিন খান। একই সঙ্গে শিক্ষার উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। আইরিন খান বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। দেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফলতার সঙ্গে এ খাতে কাজ করছেন। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।’ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষার উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিম‚লক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারে সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা প্রয়োজন।’ এসময় বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নে জাতিসংঘের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি দেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে জাতিসংঘের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি। সাক্ষাতে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কারে ভবিষ্যতে জাতিসংঘের সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য, সোনাইমুড়ীতে কবিরাজি চিকিৎসার নামে প্রতারণা

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য, সোনাইমুড়ীতে কবিরাজি চিকিৎসার নামে প্রতারণা
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে চলছে ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার নামে প্রতারণা। এতে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  বিভিন্ন জটিল রোগ থেকে সারিয়ে তোলার কথা বলে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজের মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন।অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের মৃত মোজাফফর আহমেদের পুত্র মানিক ওরফে মানিকখোনার সর্বরোগ নিরাময়ের নামে ভুয়া  কবিরাজি, অপচিকিৎসা ও রমরমা প্রতারণার জালে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।আইন লঙ্ঘন, ভুয়া লাইসেন্স প্রদর্শন ও জীবনহানির মারাত্মক ঝুঁকিতে হাজারো সমস্যাগ্রস্ত রোগীরা।  চিকিৎসাবিদ্যার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নেই।নেই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) বা কোনো স্বীকৃত আয়ুর্বেদিক/ইউনানী বোর্ডের ন্যূনতম নিবন্ধন।
বাংলাদেশে হাইকোর্ট এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী অনিবন্ধিত ও ভুয়া কবিরাজি বা তান্ত্রিক চিকিৎসা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দেশের উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা ও আইন থাকা সত্ত্বেও ভুয়া কবিরাজ আইন অমান্য করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা ও অপচিকিৎসা চালিয়ে আসছে। তথ্য বলছে, উপজেলার হাটগাঁও গ্রামের মৌলভী আব্দুল খালেকের পুত্র গোলাম ফারুক মানিক খোনারের ভুয়া কবিরাজি বন্ধ চেয়ে মহামান্য হাইকোর্টে ২৩৫৪/১৭ একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। রিট পিটিশনের আলোকে তৎকালীন সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ফয়সাল সরে জমিনে গিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করেন। পরে তিনি ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে মতামত দাখিল করেন। এরপরও তার কবিরাজি ব্যবসা পরিচালনা করায় গত (৩) জানুয়ারি ২০১৭ সালে  সাবেক ইউএনও রবিউল ফয়সাল তাকে গ্রেফতার করেন। গাড়িতে উঠানোর পর তার অনুগত বাহিনী ইউএনওর গাড়ি ভাঙচুর করে এবং মানিক খোনারকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বোমা ফাটিয়ে তাণ্ডব সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ইউএনও তাকে না পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে তার সহযোগী মেয়ে মিম ও মিলন নামক (২) দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।সে সময় ইউএনও  ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মিলনকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রধান করেন। এবং তার অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেন। সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ইশরাত জাহান তার আস্তানায় সিলগালা করেন।পরে তিনি মুচলেকা দেন।এ বিষয়ে মানিক খোনারের মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন দিয়েও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার বলেন,তার বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। তবুও সে কবিরাজি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জয়পুরহাটে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটে প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭.৩০ ঘটিকায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘জয়পুরহাট সংগীত চক্র’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। গীতিকবি তাজ বিন নুরের স্বরচিত গান পরিবেশিত হয় উক্ত অনুষ্ঠানে। দুইটি নজরুল গীতি এবং তাজ বিন নূরের ১৭ টি স্বরচিত গান ও একটি স্বরচিত কবিতা বিদ্রোহী নই পরিবেশিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ জেলার চারজন জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার বিজ্ঞ বিচারকবৃন্দ ও বিচার বিভাগের অন্যান্য বিজ্ঞ বিচারকমন্ডলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব আরিফ হোসেন, জয়পুরহাট জেলার বিজ্ঞ জিপি এ্যাডঃ জনাব সালামত আলী জয়পুরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ আব্দুর মোমেন ফকির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ডঃ হারুনুর রশিদসহ অন্যান্য অতিথিগণ।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশ বেতার রংপুরের তালিকাভুক্ত শিল্পী ড. জাফর ইমাম, জাকিয়া ফারহানা চৌধুরী,রতন মালি আবুল কালাম, অনুপ, মিজানুর, ম.হাসান, নয়ন, ডাঃজান্নাতুল নূরী ইরা। নওগাঁ জেলার কণ্ঠশিল্পী এনামুল হক মধুর একক ও যৌথ পরিবেশনা বিশেষ করে বাবা ও মাকে নিয়ে রচিত গান দর্শক-শ্রোতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। শ্রোতাগণ আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ ধরনের সংগীতানুষ্ঠান অপসংস্কৃতির ভিড়ে সুস্থ সংস্কৃতির জন্ম দেবে।

 দাগনভূঞা থানার মানবিক ওসি নোমান

 বি চৌধুরী তুহিন, (স্টাফ রির্পোটার), নোয়াখালী
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
 দাগনভূঞা থানার মানবিক ওসি নোমান
যেকোনো প্রয়োজনে আমরা আছি আপনার পাশে— এই স্লোগানকে বাস্তবে রূপ দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দাগনভূঞা থানার মানবিক ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান।  অত্যন্ত দক্ষ নেতৃত্ব ও জোরালো ভূমিকার কারণে আজ একটি নিখোঁজ সন্তান নিরাপদে তার বাবার কোলে ফিরে আসতে পেরেছে। এমন দূর দর্শী ও মানবিক পুলিশিং আমাদের সমাজে প্রতিনিয়ত আশার আলো দেখায়। ওসির এই যুগান্তকারী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগের জন্য উনার প্রতি রইল আন্তরিক শুভকামনা ও শ্রদ্ধা!
ফেনীর দাগনভূঞা পৌরসভার উদরাজপুর গ্রামের নুরুল আমিন বাহারের ১৪ বছরের ছেলে সাইমুন ইসলাম সাব্বির হঠাৎ করে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবার যখন প্রিয় সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা, ঠিক তখনই বিষয়টি ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমানের নজরে আসে। সরাসরি দিকনির্দেশনা ও তাৎক্ষণিক জোরালো পদক্ষেপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিখোঁজ কিশোরকে খুঁজে বের করা হয়।
পরবর্তীতে দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধারকৃত কিশোরকে তার বাবা নুরুল আমিন বাহারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত ওসির প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।