খুঁজুন
, ,

ভোলায় যথাযথ মর্যাদায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মোঃ সুলাইমান, ​ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
ভোলায় যথাযথ মর্যাদায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ভোলায় যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোলা জেলা বিএনপির উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।

​সকালে ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীরের নেতৃত্বে এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রাইসুল আলমের সঞ্চালনায় শহর এলাকায় একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দুপুরে ভোলা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

​শোভাযাত্রায় জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। ​পরে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি সব সময় জনগণের অধিকার রক্ষা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে আসছে।

দলটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে আগামী দিনেও দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তারা। একই সঙ্গে জনগণের কল্যাণে দলীয় প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতারা।

সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের সুযোগ দিতে চাই : ভোলা প্রেসক্লাবে তথ্যমন্ত্রী পার্থ

মোঃ সুলাইমান, ভোলা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের সুযোগ দিতে চাই : ভোলা প্রেসক্লাবে তথ্যমন্ত্রী পার্থ

সাংবাদিকরা যেন স্বাধীনভাবে ও নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে পারেন, বর্তমান সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ভোলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। সরকারের ভালো কাজগুলো যেমন গণমাধ্যমে তুলে ধরতে হবে, তেমনি সরকারের ভুলত্রুটি ও বিভিন্ন বিষয়ে গঠনমূলক সমালোচনাও করতে হবে। সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা সরকারের থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি কখনো গণমাধ্যমের ওপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেননি। ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার কোনো ইচ্ছা তার নেই। সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন—এটাই তিনি চান।
আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, গত ১৭ বছরে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ ও সংবাদ প্রচারের কারণে অনেক সাংবাদিক মামলা, হয়রানি ও নানা ধরনের চাপের মুখে পড়েছেন।

ওই পরিস্থিতি থেকে দেশকে বের করে এনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করতে চায়। নিজের মন্ত্রী হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেবেন—এ বিষয়টি তিনি নিজেও আগে জানতেন না।

মতবিনিময় সভায় ভোলার সাংবাদিকরা স্থানীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন সমস্যা, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। সভায় ভোলা জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোলায় মন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ

মোঃ সুলাইমান, ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
ভোলায় মন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলায় সরকারি সফরে আসছেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ এমপি। আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত তিন দিনের সফরে ভোলায় অবস্থান করবেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় রাজধানীর গুলশান-২ থেকে সড়কপথে ভোলার উদ্দেশে যাত্রা করবেন তথ্যমন্ত্রী। সকাল ১১টার দিকে ভোলা সার্কিট হাউসে পৌঁছাবেন তিনি।

এরপর দুপুর ১টায় ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। সফরের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ভোলা প্রেসক্লাব পরিদর্শন করবেন তথ্যমন্ত্রী। সেখানে স্থানীয় সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। একই দিন দুপুর আড়াইটায় নিজ নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

সফরের শেষ দিন শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। বিকেল ৪টায় স্থানীয় সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আরেকটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। সবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে ভোলা ত্যাগ করবেন আন্দালিভ রহমান পার্থ।

এক নজরে তথ্যমন্ত্রীর ভোলা সফর
সফরকাল: ২–৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ সেপ্টেম্বর: জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়।
৩ সেপ্টেম্বর: ভোলা প্রেসক্লাব পরিদর্শন ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়; দলীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সভা।
৪ সেপ্টেম্বর: বিজেপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়; সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়।
ফেরার সময়: ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা।

মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভোলায় এটি আন্দালিভ রহমান পার্থের প্রথম সরকারি সফর। ফলে তার সফরকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক ও পেশাজীবী মহলে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

 

 

ভোলায় বেলার সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জনের আহ্বান

ভোলা প্রতিনিধি: মোঃ সুলাইমান
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
ভোলায় বেলার সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জনের আহ্বান

একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এর ব্যবহার বর্জনে উদ্বুদ্ধ করতে ভোলায় সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ভোলার মাছুমা খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এ প্রচারাভিযানের আয়োজন করে। এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক-পলিথিনের ক্ষতিকর দিক এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

প্রচারাভিযানে বলা হয়, প্লাস্টিক মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠলেও ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেওয়ায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। পলিথিন ও প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা ও জৈবগুণ নষ্ট করার পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত করছে। একই সঙ্গে ড্রেন ও নালা-নর্দমায় জমে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে জলাবদ্ধতা বাড়াচ্ছে।

এ ছাড়া প্লাস্টিক বর্জ্য জলজ প্রাণীর জীবন ও প্রজনন ব্যবস্থার জন্য হুমকি তৈরি করছে। খাদ্যচক্রের মাধ্যমে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর রাসায়নিক মানবদেহে প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে বলেও প্রচারাভিযানে সতর্ক করা হয়। বিশেষ করে প্লাস্টিকের বিভিন্ন উপাদানে থাকা সম্ভাব্য কার্সিনোজেনিক ও এনডোক্রাইন-বিঘ্নকারী রাসায়নিকের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রচারাভিযানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বন্ধে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয় তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাত, বিক্রি, মজুদ, বিতরণ ও ব্যবহার বন্ধে বিদ্যমান আইনি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে প্লাস্টিক-পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয়।

এজন্য জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ব্যবহারের পর দ্রুত প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যায়—এমন পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তারা আরও বলেন, পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে প্লাস্টিকের পরিবেশগত ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হলেও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও মানবজীবন রক্ষায় প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

আয়োজকরা বলেন, সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।