খুঁজুন
, ,

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, মিনায় যাচ্ছেন লাখো হজযাত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, মিনায় যাচ্ছেন লাখো হজযাত্রী

সৌদি আরবে শুরু হয়েছে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। আজ সোমবার ভোর থেকেই লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে মক্কার আকাশ-বাতাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান এখন তাঁবুর শহর হিসেবে পরিচিত মিনায় সমবেত হচ্ছেন। আজ দুপুর পর্যন্ত হাজিদের মিনায় পৌঁছানোর এই প্রক্রিয়া চলবে। খবর সৌদি গেজেটের।

আজ জোহর থেকে পরদিন ৯ জিলহজ ফজর পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করে মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা সুন্নত। এই দিনটিকে ‘ইয়াওমুত তারভিয়া’ বলা হয়। এর মাধ্যমে শুরু হয় ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। তবে সৌদি হজ কর্তৃপক্ষের বিধান মেনে গতকাল রাতেই মিনায় পৌঁছেন বাংলাদেশের হাজিরা। শরিয়তের বিধান অনুসারে হাজিরা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে ফজর হতে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা।

হাজিগণ সেখানে একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। এর আগে মসজিদ নামিরা থেকে এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলী বিন আবদুল রহমান আল-হুজাইফি। খুতবার পর হাজিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করবেন হাজিরা। শরিয়তের বিধানানুসারে আরাফাতে অবস্থান করাই হজ। তবে হজের আনুষ্ঠানিকতা বা কার্যক্রম শেষ নয়।

৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন হাজিরা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন এবং শুধু বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কোরবানি দেবেন এবং মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোট করবেন।

১০ ও ১১ জিলহজ মিনায় রাত কাটানো ওয়াজিব। ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগে কঙ্কর নিক্ষেপ সম্পন্ন না হলে সেই রাতও মিনায় অবস্থান করবেন হাজিরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আনুমানিক ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন। চলতি বছরে বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষ হজ পালন করছেন।

মাদারীপুরে শারদীয় দুর্গাপূজায় নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বিধানে এমপি, ডিসি ও পুলিশ সুপারের সমন্বিত উদ্যোগ

মোঃ ফায়েজুল কবীর মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
মাদারীপুরে শারদীয় দুর্গাপূজায় নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বিধানে এমপি, ডিসি ও পুলিশ সুপারের সমন্বিত উদ্যোগ


 

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিতকল্পে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিয়েছেন মাদারীপুরের এমপি, ডিসি ও পুলিশ প্রশাসন। স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন মাদারীপুর সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া, জেলা প্রশাসক মিজ্ মর্জিনা আক্তার ও পুলিশ সুপার মো.ফজলে এলাহী। এতে হিন্দু সম্প্রদায় সহ মাদারীপুরে মানুষের মনে স্বস্তি বিরাজ করছে । আনুষ্ঠিকতা থেকে শুরু করে পূজা-পার্বন সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত যৌথ ও এককভাবে তারা এর নিরাপত্তা বিধানে সক্রিয় থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। স্ব-স্ব অবস্থান থেকে নেতা-কর্মী, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি ও নিরাপত্তা কর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রেখে দিনরাত্রি বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করছেন তারা।

শহর- গ্রামের বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শনকালে এক সাক্ষাৎকারে মাদারীপুর সদর-২ আসনের এমপি জাহান্দার আলী মিয়া জানান, ”ছাত্র-জনতা কর্তৃক একটি পরাজিত অপশক্তি দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরীর করে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে গুপ্তভাবে তৎপর রয়েছে, তাদের মেরুদন্ড ভাঙ্গা থাকলেও তাদের বিশ্বাস করা যায় না, সেজন্য দলীয় নেতা-কর্মী, শান্তিপ্রিয় মাদারীপুরবাসি, প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সাথে নিয়ে আমরা অত্যন্ত সজাগ অবস্থানে রয়েছি, যা’তে কেউ নাশকতার পরিবেশ তৈরী করে বর্তমান জনগনের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ফায়দা নিতে না পারে”। এছাড়া, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন পূজামন্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচলে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ সহ গোয়োন্দা নজরদারি জোরদার করেছেন । তারা বলেন, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরী করার সুযোগ তারা দেবেন না, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার পাশাপাশি তারা সদা প্রস্তুত রয়েছেন। তারা পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধি ও সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। এসময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা, সতর্কতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে তৎপর বিজিবি, ধুকুরঝাড়ি মণ্ডপ পরিদর্শন

মোঃ নজরুল ইসলাম  দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে তৎপর বিজিবি, ধুকুরঝাড়ি মণ্ডপ পরিদর্শন
ধুকুরঝাড়ী সার্বজনীন দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত রিজিয়ন কমান্ডার ও দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এর অংশ হিসেবে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)–এর দায়ীত্বপূর্ণ এলাকায় মোট ৮৬টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, বিজিবিএম, পিবিজিএম, পিএসসি এবং দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরের সেক্টর কমান্ডার ধুকুরঝাড়ী সার্বজনীন দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁরা পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন, রংপুরের আওতাধীন এলাকায় সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ৭৩১টি এবং ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ১৬৪টিসহ মোট ৮৯৫টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুর সেক্টরের আওতাধীন এলাকায় রয়েছে মোট ২১০টি পূজামণ্ডপ। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তায় দায়ীত্ব পালন করছেন ৩১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য।
অন্যদিকে, দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)–এর দায়ীত্বপূর্ণ দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার ৯৯ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দিনাজপুর শহর এলাকার ২২টি, দিনাজপুর জেলার সীমান্ত এলাকার ২৩টি এবং ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্ত এলাকার ৪১টিসহ মোট ৮৬টি পূজামণ্ডপে ১৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি, সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রংপুর রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা, জনগণের সহযোগীতা ও গণমাধ্যমের দায়ীত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার মাধ্যমে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করে তোলা সম্ভব। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।
বিজিবির সদস্যরা ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়ীত্ব পালন করবেন।
পরিদর্শনকালে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)–এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান, সহকারী পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান, পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সুধীর চন্দ্র, সম্পাদক পঞ্চম রায়, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জয়পুরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিচার বিভাগের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সজিবুল ইসলাম পাভেল, জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিচার বিভাগের পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই : সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ অনুপ কুমার
দেশব্যাপী ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচি-২০২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জয়পুরহাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বিচার বিভাগ। গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ন্যায়কুঞ্জ স্ন্যাক বার এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। জয়পুরহাট বিচার বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ অনুপ কুমার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম মিঞা, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. রাসেল মাহমুদ, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মোছা. আতিয়ারা আকতার, সিনিয়র সিভিল জজ মো. ফয়সাল আহমেদ, সিভিল জজ মো. নাঈম উল হোসেন এবং কালাইয়ের সিভিল জজ বেগম মেহনাজ হুমাইরা কুহেলীসহ বিচার বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরিচ্ছন্নতা অভিযানকালে আদালত চত্বরের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ অনুপ কুমার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। অফিস-আদালত ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যেন পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম মিঞা বলেন, ডেঙ্গু একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। এ রোগের বিস্তার রোধে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু কর্মসূচি পালন করলেই হবে না, পরিচ্ছন্নতার এ অভ্যাস প্রতিদিনের জীবনে চর্চা করতে হবে। নিজেদের পাশাপাশি পরিবার ও আশপাশের মানুষকেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করতে হবে। বক্তারা ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে সবাইকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কোথাও পানি জমে থাকতে না দেওয়া এবং মশার বংশবিস্তার রোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।