খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বিচারকের স্বল্পতার কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে : মাহবুব উদ্দিন

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
বিচারকের স্বল্পতার কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে : মাহবুব উদ্দিন

নারী ও শিশু নির্যাতনসহ চাঞ্চল্যকর মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিতে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। একইসঙ্গে মামলার বিশাল জট কমাতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি। গত রোববার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নোয়াখালী-১ আসনের এ সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

সম্প্রতি নৃশংস হত্যার শিকার শিশু রামিসার বিষয়েও কথা বলেন তিনি। দ্রুত বিচার নিশ্চিতে পুলিশি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা দূর করার আহ্বান জানিয়ে বার সভাপতি খোকন বলেন, মানুষের অতীতের অভিজ্ঞতা হলো, বছরের পর বছর বিচার শেষ হয় না। তাই দ্রুত বিচারের নিশ্চয়তা দিতে হবে। “দ্রুত বিচার করলে এটা কোনো বেআইনি কাজ নয়; বরং দীর্ঘসূত্রতা করলে মানুষ সেটাকে খারাপ মনে করে।

নিম্ন আদালতে সাজা হওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল শুনানির দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, “কারো কোনো সাজা হলে আপিল বিভাগে আসার পর সেই আপিল শুনানি হতে কত বছর লাগবে কেউ জানেন না। এজন্য সরকারের আশ্বাসেও মানুষ বিশ্বাস করছে না।

প্রধান বিচারপতির কাছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতনসহ স্পর্শকাতর ঘটনাগুলো নিয়ে বিশেষ বেঞ্চ তৈরি করুন। বিশেষ বেঞ্চ করলে তাড়াতাড়ি আপিল নিষ্পত্তি হবে, জনগণও দেখতে ও বুঝতে পারবে যে বিচার হয়েছে।

উচ্চ আদালতে বিচারক সংকটের কথা তুলে ধরে আইনজীবী নেতা খোকন বলেন, বিচারকের স্বল্পতার কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে। আগে আপিল বিভাগে তিনটি বেঞ্চ থাকলেও এখন মাত্র একটি বেঞ্চ দিয়ে কাজ চলছে। হাইকোর্টে কারও জামিন হলে এবং চেম্বার জজ তা স্থগিত করলে সাত-আট বছর ধরে সেটার আর শুনানি হচ্ছে না।

কোরবানির ঈদের ছুটির পরপরই আপিল ও হাই কোর্ট বিভাগে পর্যাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানিয়ে সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিচারক নিয়োগের আইন না থাকায় এর দায় সরকারের ওপর বর্তায়। সরকার এভাবে ধীরগতিতে চলতে পারে না। লম্বা সিরিয়ালের কারণে মানুষের বিচার পেতে দেরি হলে তা দুর্নীতির জন্ম দেয়। কমপক্ষে দুটি বা তিনটি বেঞ্চ যেন করা যায়, আপিল বিভাগে অবিলম্বে সেভাবে বিচারপতি নিয়োগ করতে হবে।
সম্প্রতি শিশু রামিসা ‘ধর্ষণ’ ও হত্যার ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এই নৃশংস, নির্লজ্জ, ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্য সমগ্র জাতি আজকে অসম্মানিত। আইনজীবী হিসেবে আমাদেরও হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির পক্ষে আইনি লড়াই না করার বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) নেওয়া সিদ্ধান্তের বিষয়েও কথা বলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি খোকন। তিনি বলেন, তারা (ঢাকা বার) মনে করলে এমন সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন। তবে প্রত্যেকটা মানুষের আইনগত আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। একজন আইনজীবীরও অধিকার আছে মামলা লড়ার। আইনিভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের পর যদি আসামির সাজা বহাল থাকে, তাহলে সেই বিচার নিয়ে আর কারও কোনো সন্দেহ থাকে না।

 

আজ থেকে শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ণ
আজ থেকে শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (২০২৬ সালের বাজেট অধিবেশন) শুরু হচ্ছে আজ রোববার। এটি চলতি সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম দিন বেলা তিনটায় জাতীয় সংসদের বৈঠক শুরু হবে। আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট।

সাধারণত বাজেট অধিবেশন অন্যান্য অধিবেশনের তুলনায় দীর্ঘ সময় ধরে চলে। এবারের অধিবেশন কত দিন চলবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে অধিবেশন শুরুর আগে জাতীয় সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, অধিবেশনে দিনের কার্যসূচির মধ্যে রয়েছে অধিবেশনের জন্য সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন, শোক প্রস্তাব, প্রশ্নোত্তর, জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আর্কষণের নোটিশ নিষ্পত্তি। এ ছাড়া সম্প্রতি জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ দিতে গঠিত বিশেষ কমিটি সংসদে তাদের প্রতিবেদন দেবে।

গতকাল শনিবার বিকেলে সংসদের এলডি হলে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, ১১ জুন বাজেট উপস্থাপন করা হবে। ১৫ জুন চলতি অর্থবছরের সম্পূক বাজেট পাস হবে। এরপর ১৬ জুন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে।

চিফ হুইপ বলেন, ৩০ জুন বাজেট পাস করতে হবে। তাই প্রতিদিন সকাল–বিকেল দুইবেলা বৈঠক হতে পারে। এ ছাড়া এ অধিবেশনে কিছু বিল আসবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়ে চলে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। ওই অধিবেশনে ২৯ এপ্রিল সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ কমিটিতে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। তবে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নাম দেওয়া হয়নি।

আইনমন্ত্রী সংসদে এ প্রস্তাব দেওয়ার পর বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছিলেন, এ বিষয়ে তাঁদের ধারণাগত পার্থক্য আছে। তাঁরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

তখন আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, পরবর্তী অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে তাঁদের অসুবিধা নেই।

বিরোধী দলের সূত্র জানায়, তারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে থাকার পক্ষে নয়। কারণ, তারা চায় জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংশোধন) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হোক।

বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম দেওয়া না হলে এই অধিবেশনে বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে সরকারি দল আশাবাদী যে বিরোধী দল কমিটিতে নাম দেবে। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সংবিধান সংশোধন করতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি আশা করছেন যে বিরোধী দল অবশ্যই বিশেষ কমিটিতে নাম দেবে।

প্রসঙ্গত, সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বিশেষ কমিটি হবে ১৭ সদস্যের। সরকারি দল ইতিমধ্যে ১২ জনের তালিকা তৈরি করেছে। যেখানে বিএনপি, গণ অধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদেরও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির সংসদ সদস্য আছেন সাতজন। বিরোধী দলের কাছে পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে।

প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দেবে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দেবে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি

বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের অধীন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দেবে। এ বিষয়ে সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের অধীন সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি কর্তৃক পরিচালিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণের মামলা উচ্চ আদালতে দায়ের করা মামলার পরামর্শ, পরিচালনার জন্য প্যানেল আইনজীবীর তালিকা হালনাগাদ করার জন্য যোগ্যতা সম্পন্ন আইনজীবীদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হচ্ছে।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

 

 

৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ

দেওয়ানি আদালতের অবকাশকালীন ছুটিতে জরুরি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা গ্রহণ, শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য সারা দেশে ৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন। গত রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ও পরামর্শ অনুযায়ী অবকাশকালীন সময়ে জরুরি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ভ্যাকেশন জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, ঢাকা মহানগর এলাকা, ঢাকার ১০টি বিশেষ জজ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করবেন বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম, খুলনা মহানগর এলাকার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ খুলনার বিচারক মো. আসাদুল্লাহ, রাজশাহী মহানগর এলাকার জন্য পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক মো. জুলফিকার উল্লাহ এবং রংপুর মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সারাদেশে ৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ভ্যাকেশন জজরা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮–এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে জরুরি ফৌজদারি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ অনুযায়ী জরুরি দেওয়ানি মামলা গ্রহণ ও শুনানির ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়েছে।

শিশু আইন, ২০১৩–এর আওতায় গঠিত শিশু আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।অবকাশকালীন সময়ে ভ্যাকেশন ডিউটিতে থাকা বিচারকেরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তারা ১৫ দিনের অবকাশকালীন ভাতাও পাবেন। নিজ কর্মস্থলের বাইরে দায়িত্ব পালন করলে বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএও প্রাপ্য হবে।

শ্রম আদালত, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল, কোর্ট অব সেটেলমেন্ট এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালকে অবকাশকালীন ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।