খুঁজুন
, ,

শিক্ষা খাতে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন : শিক্ষামন্ত্রী মিলন

জান্নাতুল মাওয়া
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষা খাতে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন : শিক্ষামন্ত্রী মিলন

মামলা জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে

বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপ‚র্ণ অন্যান্য প্রশাসনিক পদে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গত বুধবার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, চার মাস হতে চলল এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি। প্রথম সপ্তাহ থেকেই আদালতপাড়ায় এই মামলার জটিলতা নিরসনের জন্য চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপিল বিভাগ থেকে কোনো কজলিস্টে এগুলো আসছে না। এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে নোয়াখালী-২ আসনের সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুক দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক সংকটের বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা না, সব সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় প্রাইমারি স্কুলে হেডমাস্টার নেই। আমার এখানে ১৮০টার উপরে প্রাইমারি স্কুল। দুইটা উপজেলায় প্রাইমারি স্কুলে হেডমাস্টার নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয়ে বিপুলসংখ্যক মামলা থাকায় নিয়োগ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা শিক্ষক চাই। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ নয়, আরও ২ হাজার ৬০০ এবং ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও মামলার কারণে আটকে আছে। সারা বাংলাদেশে শিক্ষকের অভাব, সকলেই বলছে। এটি একটি নয়। এরপর এনটিআরসিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, সেটিও মামলার জটিলতায় ঝুলে আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নাইটগার্ড নিয়োগও একই কারণে আটকে আছে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে বর্তমানে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন; যা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। ইতোমধ্যে দেশে আরও প্রায় ৩৩ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শ‚ন্য হয়েছে। সারা দেশে যারা এখনো হেডমাস্টার হতে পারেননি, তারা রিটায়ারমেন্টে চলে যাচ্ছেন। এমন বহু শিক্ষক রয়েছেন, যারা প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না। মামলার জটিলতার কারণে বিষয়গুলো সমাধান করা যাচ্ছে না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বদলির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ সংক্রান্ত দায়িত্ব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। সরকার নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে বিচারাধীন মামলাগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাক্সিক্ষত অগ্রগতি অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব যুব সম্মেলনে একমাত্র বাংলাদেশি প্রতিনিধি তামরিন

জান্নাতুল মাওয়া
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
জাতিসংঘের বিশ্ব যুব সম্মেলনে একমাত্র বাংলাদেশি প্রতিনিধি তামরিন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক যুব সম্মেলন ‘ফিউচার উই ওয়ান্ট মডেল ইউনাইটেড নেশনস (এফডব্লিউএমইউএন) সম্মেলন ২০২৬’। এতে একমাত্র বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী তরুণ প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন শেখ সিদরাতুল মুনতাহা সিদ্দিকী তামরিন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সম্মেলনের প্রতিনিধি হিসেবে তার নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। এ সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা নির্বাচিত তরুণ নেতাদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জানা গেছে, এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আরও কয়েকজন তরুণ প্রতিনিধি অংশ নিলেও তাদের পাসপোর্ট বাংলাদেশি নয়। ফলে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে তামরিনই সম্মেলনে সরাসরি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। চার দিনব্যাপী সম্মেলনে বিশ্ব শান্তি, কূটনীতি, তরুণ নেতৃত্ব, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় হবে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তরুণদের নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক দক্ষতা বিকাশে এ ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শেখ সিদরাতুল মুনতাহা সিদ্দিকী তামরিন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বাসিন্দা। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতপ্রবাসী সাংবাদিক শেখ ফয়সাল সিদ্দিকী ববির জ্যেষ্ঠ কন্যা। প্রবাসে বেড়ে উঠলেও বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ ধারণ করে বেড়ে উঠেছেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। তামরিনের বাবা সাংবাদিক শেখ ফয়সাল সিদ্দিকী ববি বলেন, একজন বাংলাদেশি ও একজন প্রবাসী বাবা হিসেবে এটি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। আমার মেয়ে প্রমাণ করেছে, সুযোগ পেলে বাংলাদেশি তরুণরা বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারে। তিনি আরও বলেন, জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সততার মাধ্যমে তামরিন যেন দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণে কাজ করতে পারে, সে জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি। এফডব্লিউএমইউএন জাতিসংঘের আদলে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষামূলক সম্মেলন। এতে অংশগ্রহণকারী তরুণদের কূটনৈতিক দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে নীতি-নির্ধারণী আলোচনার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন আইরিন খান

জান্নাতুল মাওয়া
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন আইরিন খান

আইরিন খানকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। পরে তাঁকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আইরিন খানকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়ে গত বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বলা হয়, আইরিন খান এ পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। আইরিন খান বর্তমানে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্বে আছেন। এর আগে তিনি যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু

তৌহিদুর রহমান হিসান
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং সাধারণ পরিষদ সংস্থার পরবর্তী মহাসচিব নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘোষণা করেছে। গত বৃহস্পতিবার মহাসচিব নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দ্বিতীয় মেয়াদে এই পদে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সাবেক পর্তুগীজ প্রধানমন্ত্রী গুতেরেস (৭১) সাধারণ পরিষদ এবং গুরুত্বপ‚র্ণ পাঁচ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও ব্রিটেনসহ নিরাপত্তা পরিষদের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন। তবে বেশ কয়েকটি বেসরকারি গ্রুপের সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছেন গুতেরেস। তাদের অভিযোগ বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষায় তিনি যথেষ্ঠ কাজ করতে পারছেন না। গত বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত এক চিঠিতে বলা হয়, প্রার্থীদের প্রমাণিত নেতৃত্ব ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ব্যাপারে ব্যাপক অভিজ্ঞতা, বলিষ্ঠ ক‚টনৈতিক দক্ষতা, যোগাযোগ ও বহুভাষিক দক্ষতা থাকতে হবে। অন্তত একটি দেশ ২০২২-২০২৬ মেয়াদে জাতিসংঘ মহাসচিবের পদে একজন নারীকে দেখতে চায়।