খুঁজুন
, ,

চায়না দুয়ারী’ রিং জালে মাছ শিকার, অভিযানে পুড়িয়ে দিয়েছে লক্ষাধিক টাকার জাল

আবু রায়হান লিটন, নওগাঁ
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
চায়না দুয়ারী’ রিং জালে মাছ শিকার, অভিযানে পুড়িয়ে দিয়েছে লক্ষাধিক টাকার জাল

বদল গাছীর আনাচকানাচে অবাদে মাছ শিকারীরা নিষিদ্ধ এক প্রকার জাল দিয়ে পনা মাছ সহ রেনু ধ্বংস করে চলেছে।
বদলগাছী উপজেলার বিভিন্ন খালে ‘চায়না দুয়ারী’ বা রিং জাল নামক বিশেষ এক ধরনের জাল ব্যবহার এই ধ্বংসাত্মক কাজ নির্বিচারে চালিয়ে যাচ্ছে। এতে দিনে দিনে ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ।

সোমবার (১৭ আগষ্ট) সরেজমিনে উপজেলার সদর ইউপির ফতেজঙ্গপুর ও আবাদপুর বিল নামক স্থানে এই দৃশ্য দেখা গেছে। ছোট খালগুলোতে এসব অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকার হচ্ছে অবাধে। খুব সহজে বেশি মাছ ধরার এই ফাঁদ ব্যবহারে ভবিষ্যতে দেশীয় প্রজাতির মাছ অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সব ধরনের দেশীয় প্রজাতির মাছ এ জালের ফাঁদে ধরা পড়ছে। বর্ষা মৌসুমে মাছের প্রজনন বেশি হওয়ায় এ জালের উৎপাত থাকে বেশি। দেশীয় প্রজাতির ছোট বড় বিভিন্ন মাছ চায়না দুয়ারী (রিং) নামক জালে নিধন হচ্ছে। এতে ক্রমেই মাছশূন্য হয়ে যাচ্ছে উপকূলের খাল-বিল। স্থানীয় জেলেরা জানান, চায়না দুয়ারী জালে খালের সব ধরনের মাছ ছেঁকে ওঠে। এসব জাল বন্ধ না হলে মাছ সংকটে পড়বে স্থানীয় জেলেরা।
এমন পরিস্থিতিতে আজ বুধবার (১৯ আগষ্ট) উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে আবাদপুর বিল ও ফতেজঙ্গপুরের বিভিন্ন মাঠ হতে প্রায় ২৫-৩০ টি চায়না দুয়ারি (রিং) জাল নিয়ে এসে পুড়িয়ে ধ্বংস করার মাধ্যমে মৎস্য অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশরাত জাহান ছনি,উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায়,মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ,থানা পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মী গণ।

বদলগাছী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিল্পী রায় বলেন, আমাদের মৎস্য অধিদপ্তরের সুরক্ষা আইন ১৫০ এর ধারায় জালটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ জাল আমাদের জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।

তিনি আরও বলেন, এর আগে আমরা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেছি। এই জালের ব্যবহার শূন্যের কোটায় নিয়ে যেতে আমরা মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান ছনি বলেন, চায়না দুয়ারী জাল বন্ধে আমরা একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছি। এ জাল বন্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আন্দালিভ রহমান পার্থ

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আন্দালিভ রহমান পার্থ

মঈন খান স্থানীয় সরকারে, পার্থ তথ্যে, বিমানে মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামে সাচিং প্রু, পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী

নতুন শপথ নেওয়া চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও একটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তর বদল করা হয়েছে।গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রথমে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। এরপর তিনি নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করেন। শপথ নেওয়া নতুন চার মন্ত্রী হলেন, আবদুল মঈন খান, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাচিং প্রু জেরী ও আন্দালিভ রহমান পার্থ। এর মধ্যে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার (লিংকন)। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। কিছুক্ষণ পর প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শূন্য পদে আবদুল মঈন খান দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানমকে (রিতা) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।

বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। বিএনপি সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দায়িত্ব পান দীপেন দেওয়ান। কিন্তু তিন মাসের মাথায় তিনি পদত্যাগ করেন। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা করা হয়েছে।

আর শামীম কায়সার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

নতুন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আগে থেকে এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা শামা ওবায়েদ ইসলামও আগের পদে থাকবেন। অর্থাৎ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন খলিলুর রহমান। সূত্র : প্রথম আলো

শপথ নিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
শপথ নিলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে তিনি এ শপথ গ্রহণ করেন। নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, অন্তবর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা।

এ ছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও বিদেশি কূটনীতিক, তিন বাহিনী প্রধান, সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাজানো হয় জাতীয় সংগীত।

এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় শপথের মূল আনুষ্ঠানিকতা। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
পরে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। রাষ্ট্রপতির শপথ ও নতুন মন্ত্রীদের শপথকে কেন্দ্র করে পুরো বঙ্গভবন এলাকায় বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। মূলভবনসহ পুরো বঙ্গভবন এলাকা নতুন সাজে সাজানো হয়।নিরাপত্তার স্বার্থে বঙ্গভবন ও এর আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), র‍্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পোশাকে ও সাদা পোশাকে নিবিড়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের নির্দিষ্ট পাস ও কয়েক দফা গাড়ি চেকিংয়ের মাধ্যমে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়েছে।

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ভোলায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
র‍্যালিতে ব্যানার, ফেস্টুন ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণকালে দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের রাজপথ। পরে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মুনতাসির আলম চৌধুরী রবীনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর।
বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ ট্রুম্যান, হুমায়ুন কবির সোপান ও কবির হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন, ভোলা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত আলী, জেলা যুবদলের সভাপতি জামাল উদ্দিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম, সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাসেল।
এ ছাড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব শাহ জুয়েল, যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মনির, ওমর ফারুক, লুকু চৌধুরী, ফিরোজ, হারুনুর রশিদ সুমন, কামাল মেম্বার, কামাল পাশা, কামাল মোল্লা, এমদাদ হোসেন ও সপন গোলাদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইব্রাহিম খলিল, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক দেওয়ান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাইনুদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ও সোহাগসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দলের আদর্শ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সংগঠনটির ভূমিকা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে ঘিরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।