খুঁজুন
, ,

বিচারকের স্বল্পতার কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে : মাহবুব উদ্দিন

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
বিচারকের স্বল্পতার কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে : মাহবুব উদ্দিন

নারী ও শিশু নির্যাতনসহ চাঞ্চল্যকর মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিতে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের দাবি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। একইসঙ্গে মামলার বিশাল জট কমাতে উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি। গত রোববার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নোয়াখালী-১ আসনের এ সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

সম্প্রতি নৃশংস হত্যার শিকার শিশু রামিসার বিষয়েও কথা বলেন তিনি। দ্রুত বিচার নিশ্চিতে পুলিশি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা দূর করার আহ্বান জানিয়ে বার সভাপতি খোকন বলেন, মানুষের অতীতের অভিজ্ঞতা হলো, বছরের পর বছর বিচার শেষ হয় না। তাই দ্রুত বিচারের নিশ্চয়তা দিতে হবে। “দ্রুত বিচার করলে এটা কোনো বেআইনি কাজ নয়; বরং দীর্ঘসূত্রতা করলে মানুষ সেটাকে খারাপ মনে করে।

নিম্ন আদালতে সাজা হওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল শুনানির দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, “কারো কোনো সাজা হলে আপিল বিভাগে আসার পর সেই আপিল শুনানি হতে কত বছর লাগবে কেউ জানেন না। এজন্য সরকারের আশ্বাসেও মানুষ বিশ্বাস করছে না।

প্রধান বিচারপতির কাছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতনসহ স্পর্শকাতর ঘটনাগুলো নিয়ে বিশেষ বেঞ্চ তৈরি করুন। বিশেষ বেঞ্চ করলে তাড়াতাড়ি আপিল নিষ্পত্তি হবে, জনগণও দেখতে ও বুঝতে পারবে যে বিচার হয়েছে।

উচ্চ আদালতে বিচারক সংকটের কথা তুলে ধরে আইনজীবী নেতা খোকন বলেন, বিচারকের স্বল্পতার কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অনেকটা স্থবির হয়ে গেছে। আগে আপিল বিভাগে তিনটি বেঞ্চ থাকলেও এখন মাত্র একটি বেঞ্চ দিয়ে কাজ চলছে। হাইকোর্টে কারও জামিন হলে এবং চেম্বার জজ তা স্থগিত করলে সাত-আট বছর ধরে সেটার আর শুনানি হচ্ছে না।

কোরবানির ঈদের ছুটির পরপরই আপিল ও হাই কোর্ট বিভাগে পর্যাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানিয়ে সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিচারক নিয়োগের আইন না থাকায় এর দায় সরকারের ওপর বর্তায়। সরকার এভাবে ধীরগতিতে চলতে পারে না। লম্বা সিরিয়ালের কারণে মানুষের বিচার পেতে দেরি হলে তা দুর্নীতির জন্ম দেয়। কমপক্ষে দুটি বা তিনটি বেঞ্চ যেন করা যায়, আপিল বিভাগে অবিলম্বে সেভাবে বিচারপতি নিয়োগ করতে হবে।
সম্প্রতি শিশু রামিসা ‘ধর্ষণ’ ও হত্যার ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এই নৃশংস, নির্লজ্জ, ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্য সমগ্র জাতি আজকে অসম্মানিত। আইনজীবী হিসেবে আমাদেরও হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামির পক্ষে আইনি লড়াই না করার বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) নেওয়া সিদ্ধান্তের বিষয়েও কথা বলেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি খোকন। তিনি বলেন, তারা (ঢাকা বার) মনে করলে এমন সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন। তবে প্রত্যেকটা মানুষের আইনগত আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। একজন আইনজীবীরও অধিকার আছে মামলা লড়ার। আইনিভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের পর যদি আসামির সাজা বহাল থাকে, তাহলে সেই বিচার নিয়ে আর কারও কোনো সন্দেহ থাকে না।

 

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত, বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর ৭৯৭তম মহাপ্রয়াণ দিবস

শাহ এম এস জামান ইয়ামেনী, মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত, বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর ৭৯৭তম মহাপ্রয়াণ দিবস

অদ্য ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইংরেজি, ০৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি, রোজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ০২ নং ভূনবীর ইউনিয়নের লইয়ারকুল (পুরানগাঁও) এ, অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মহা পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম।

সর্বকালের, সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ ওলি, ওলিকুল শিরোমণি, মাহবুবে সোবহানী, গাউছে সামদানী, কুতুবে রাব্বানী, গাউছুল আজম, সাইয়েদুনা হযরত বড় পীর মুহিউদ্দিন দস্তগীর আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর ৭৯৭তম বিছাল দিবস (ওফাত) উপলক্ষে শেখ মুন্সী শাহ সূফী হযরত খাজা আব্দুল গফুর চিশতী (রহঃ) এর মাজার প্রাঙ্গণে এক বিশাল ধর্মীয় আলোচনা সভা ও মিলাদে মোস্তফা (সাঃ) এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরে তরিকত, রাহনুমায়ে শরীয়ত, আশেকে রাসূল, গোলামে ভাণ্ডারী, হযরত মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মুমিন ভূঞা, খাদেম ও খলিফা, ভাণ্ডার শরীফ, চট্টগ্রাম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র মাজারের প্রথম ও প্রধান খাদেম, বিশিষ্ট সাংবাদিক, সমাজহিতৈষী, লেখক ও আধ্যাত্মিক গবেষক শাহ সূফী এম এস জামান ইয়ামেনী।

প্রধান খাদেমের তত্ত্বাবধানে ও অত্র মাজারের সম্মানিত মোতাওয়াল্লী (হুজুর কেবলা মনোনীত) আওলাদে ওলি শেখ মোসাম্মাৎ বিবি পারভীন (মুজাররাদে মজনু) এর নির্দেশে হযরত কেবলার অন্যান্য শাহজাদা, শাহজাদী, এলাকাবাসী ও ভক্ত মুরিদানগণের মধ্যে পবিত্র তবারুক বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়।

সোনাইমুড়ীতে এতিমের টাকা আত্মসাতের সংবাদ প্রকাশ করায় ২ সাংবাদিকের ওপরে হামলা

 স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
সোনাইমুড়ীতে এতিমের টাকা আত্মসাতের সংবাদ প্রকাশ করায় ২ সাংবাদিকের ওপরে হামলা
সোনাইমুড়ীতে এতিমখানার অনিয়ম ও সরকারি টাকা আত্মসাতের সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ফয়েজিয়া এতিমখানার দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ‘দৈনিক নোয়াখালীর কথা’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার গোলজার হানিফ এবং ভোরের চেতনা পত্রিকার সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি মোঃ মনিরুজ্জামানের ওপরে এই হামলা চালানো হয়। সোনাইমুড়ী ফয়েজিয়া এতিমখানার মোহতামিম মোঃ শফিকুর রহমান সহ একদল সন্ত্রাসীর এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় সোনাইমুড়ী থানায় ফয়েজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসার মোহতামিম শফিকুর রহমান সহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাইমুড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত অনুমান সাড়ে ৯ টার দিকে সোনাইমুড়ী চৌরাস্তার চড়ুইভাতি পার্টি সেন্টারের ভেতরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারী শফিকুর রহমান হেফাজতে ইসলামের নোয়াখালী জেলার নায়েবে আমীর ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ওলামা দলের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া দীর্ঘদিন থেকে তিনি ফয়েজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসার মোহতামিম ও এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।হামলার শিকার মোহাম্মদ হানিফ জানান, সোনাইমুড়ী ফয়েজিয়া এতিম খানার দুর্নীতি নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
এই প্রতিষ্ঠানের মোহতামিম এবং একই সাথে মাদ্রাসা কমিটির সেক্রেটারির দায়িত্বে আছেন মোঃ শফিকুর রহমান। ওই এতিমখানায় ভুয়া খরচ দেখিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়।   সংবাদ প্রকাশের পর বিবাদীরা তাদেরকে এই বিষয়ে আর কোন সংবাদ প্রকাশ না করার প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় সাংবাদিকদের ওপরে তারা ক্ষিপ্ত হয়। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে জানিয়ে মুঠোফোন সাংবাদিকদের চড়ুইভাতি পার্টি সেন্টারের ভেতরে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে নুরুল আলম ও বাদশা সহ ১৫-২০ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালায়।হামলার শিকার আরেক সাংবাদিক মনিরুজ্জামান জানান, তাদের ওপরে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এসময় মোবাইল বের করে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার তিনটি মোবাইল এবং নগদ প্রায় ১৯ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
পরে আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে। বর্তমানে দু’জনই নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি কবির হোসেন লিখিত অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই ঘটনায় তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

‎ শরীয়তপুর জেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
‎ শরীয়তপুর জেলা যুবদলের কমিটি ঘোষণা

‎ শরীয়তপুর জেলা যুবদলের পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ‎রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এ কমিটির অনুমোদন দেয়। ‎নতুন কমিটিতে জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎকে সভাপতি, লিয়াকত হোসেন খানকে সিনিয়র সহসভাপতি, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম মৃধাকে সাধারণ সম্পাদক, ভিপি নাজমুল হক বাদলকে ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আতিকুল ইসলাম মোল্লাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

‎রোববার বিকেল ৪ টার দিকে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। যুবদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কমিটিটি অনুমোদন করেছেন। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎‎‎কমিটির সভাপতি জামাল উদ্দিন বিদ্যুৎ বলেন, ‎আমরা আশাবাদী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের একটি সর্বশ্রেষ্ঠ কমিটি উপহার দিতে সক্ষম হব। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের কল্যাণ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে শরীয়তপুর জেলা যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

কমিটিতে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট  নজরুল কবির মৃধা বলেন, ‎দেশ নায়ক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমরা শরীয়তপুর জেলা যুবদল সব সময় মাঠে কাজ করবে।