খুঁজুন
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭ টায়

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

আজ সোমবার জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন। প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ঈদগাহের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জাতীয় ঈদগাহে ময়দানের ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল না থাকলে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে স্থানান্তরিত করা হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগায়ে প্রবেশের পথ থাকবে চারটি, বের হওয়ার পথ থাকবে মোট সাতটি। ঈদের জামাতে জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণ মোট ১২১টি কাতার করা হচ্ছে। পাশেই অজুখানা রাখা হয়েছে এখানে ১৪০ জন করে মুসল্লি একসঙ্গে অজু করতে পারবেন।

জাতীয় ঈদগাহে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ফ্যান লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট রয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। সব মিলিয়ে জাতীয় ঈদগাহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে কাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

বিচার চাই, অপেক্ষা নয়, নারী ও শিশু নির্যাতন বিচারে সংকট কত গভীর?

তৌহিদুর রহমান হিসান
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
বিচার চাই, অপেক্ষা নয়, নারী ও শিশু নির্যাতন বিচারে সংকট কত গভীর?

দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা এখন বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধর্ষণ ও নারী-শিশু নির্যাতনের বহু আলোচিত মামলার বিচার সম্পন্ন হতে বছরের পর বছর সময় লেগে যাচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা, সাক্ষ্যগ্রহণে জটিলতা এবং উচ্চ আদালতে শুনানি বিলম্বিত হওয়ার কারণে বিচার কার্যক্রম ধীরগতির হয়ে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য বলছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালগুলোতে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সাক্ষীর অনুপস্থিতি, প্রমাণগত দুর্বলতা এবং আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘস‚ত্রতার কারণে দিন দিন বাড়ছে মামলাজট। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে ৪২ হাজারের বেশি মামলা পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। অর্থাৎ মোট বিচারাধীন মামলার প্রায় ২৩ শতাংশ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে, যা বিচারপ্রত্যাশীদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা ১০১টি। এসব আদালতে গড়ে প্রায় ১ হাজার ৮০০টি করে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিপুল সংখ্যক মামলার তুলনায় আদালতের সংখ্যা এখনো অপ্রতুল। ফলে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা এবং মামলাজট কমানো বিচার বিভাগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় থাকা ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপের মধ্যে সময় পার করছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা কার্যত এক ধরনের ‘আইনি অচলাবস্থার’ মধ্যে আটকে পড়েছে। তবে দীর্ঘদিনের এই বিচারজটের মধ্যেই স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে হাইকোর্ট বিভাগে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত শুনানির জন্য গত রবিবার থেকে হাইকোর্টে একটি বিশেষ বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার পর এ সংক্রান্ত মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টে দ্রুত শুনানির জন্য গত রবিবার আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। এরপর প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত জানান এবং গত রবিবার থেকে সেই বেঞ্চের বিচারিক কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দেন। পরে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান অ্যাটর্নি জেনারেল। বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে নেওয়া এ উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ আদালতে আটকে থাকা মামলাগুলোর নিষ্পত্তি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে, বিচারপ্রত্যাশী ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে, এই বিশেষ বেঞ্চের প্রথম রায় দিয়েছে। যশোরের স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী খালাস। তদন্তে দুর্বলতা ও যথাযথ সাক্ষ্য না থাকায় যশোরের অভয়নগরে ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে স্ত্রী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী আব্দুল্লাহকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স খারিজ করে এ রায় দেন। এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৯ সালে আসামি আব্দুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১। নিয়ম অনুসারে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পর আসামি জেল আপিল করেন। ১০ জুন প্রধান বিচারপতি নারী ও শিশু মামলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করেন। সেই বেঞ্চে ১৪ জুন এ মামলার শুনানি শুরু হয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার পর ৪৪টি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। তবে এসব মামলার অধিকাংশেই দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মামলার চাপ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি আইন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্টের তদারকি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে হবে। একজন সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বলেন, মামলার সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিচারকরা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সময় দিতে পারছেন না। এছাড়া অনেক মিথ্যা মামলা দায়ের হওয়ায়ও জট বাড়ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আইন অনুযায়ী দ্রæত বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে তা অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর হচ্ছে না। বছরের পর বছর অপেক্ষা, আদালতের ধীরগতি এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর ন্যায়বিচার এখনো অনিশ্চিতই থেকে যাচ্ছে।

 

 

ছবি-৫

 

দেশে ৬৫৬ বিচারকের পদ শূন্য

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
দেশে ৬৫৬ বিচারকের পদ শূন্য

দেশে ৬৫৬ বিচারকের পদ শূন্য

বিচারক সংকটে আদালত, শূন্য পদ পূরণে চলছে নিয়োগ প্রক্রিয়া

বর্তমানে দেশে বিচারকের অনুমোদিত ২ হাজার ৬২০ পদের মধ্যে ১ হাজার ৯৬৪ জন কর্মরত আছেন জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, শূন্য পদে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার সম্প্রতি ৬৫০টি সিভিল জজ ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ৪০৬টি যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ২০৪টি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে। নতুন আদালতগুলোর জন্য বিচারকের পদ সৃষ্টির বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। গত রোববার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ তথ্য দেন। সংরক্ষিত আসনের আরেক সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে পারিবারিক আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৩০টি। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দেশে ১৬৩টি পারিবারিক আদালত এবং ৬৫টি পারিবারিক আপিল আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ আমলে সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো ‘হয়রানিম‚লক ও মিথ্যা মামলা’ হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন আসাদুজ্জামান। নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্যের বরাতে আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি মিথ্যা ও হয়রানিম‚লক মামলা হয়েছে। তবে জামায়াতের নেতাকর্মীদের নামে কত মামলা হয়েছে, সে সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ‘রাজনৈতিক কারণে’ দায়ের করা ‘হয়রানিম‚লক’ মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা গত তিন মাসে প্রত্যাহার করা হয়েছে। যেসব মামলা এখনও প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো প্রত্যাহারেও কমিটি কাজ করছে।

শিক্ষা খাতে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন : শিক্ষামন্ত্রী মিলন

জান্নাতুল মাওয়া
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষা খাতে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন : শিক্ষামন্ত্রী মিলন

মামলা জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে

বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপ‚র্ণ অন্যান্য প্রশাসনিক পদে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গত বুধবার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, চার মাস হতে চলল এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি। প্রথম সপ্তাহ থেকেই আদালতপাড়ায় এই মামলার জটিলতা নিরসনের জন্য চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপিল বিভাগ থেকে কোনো কজলিস্টে এগুলো আসছে না। এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে নোয়াখালী-২ আসনের সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুক দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক সংকটের বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা না, সব সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় প্রাইমারি স্কুলে হেডমাস্টার নেই। আমার এখানে ১৮০টার উপরে প্রাইমারি স্কুল। দুইটা উপজেলায় প্রাইমারি স্কুলে হেডমাস্টার নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিষয়ে বিপুলসংখ্যক মামলা থাকায় নিয়োগ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা শিক্ষক চাই। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ নয়, আরও ২ হাজার ৬০০ এবং ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও মামলার কারণে আটকে আছে। সারা বাংলাদেশে শিক্ষকের অভাব, সকলেই বলছে। এটি একটি নয়। এরপর এনটিআরসিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, সেটিও মামলার জটিলতায় ঝুলে আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নাইটগার্ড নিয়োগও একই কারণে আটকে আছে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে বর্তমানে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন; যা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। ইতোমধ্যে দেশে আরও প্রায় ৩৩ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শ‚ন্য হয়েছে। সারা দেশে যারা এখনো হেডমাস্টার হতে পারেননি, তারা রিটায়ারমেন্টে চলে যাচ্ছেন। এমন বহু শিক্ষক রয়েছেন, যারা প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না। মামলার জটিলতার কারণে বিষয়গুলো সমাধান করা যাচ্ছে না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বদলির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ সংক্রান্ত দায়িত্ব উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। সরকার নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে বিচারাধীন মামলাগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাক্সিক্ষত অগ্রগতি অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।