খুঁজুন
, ,

৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ

দেওয়ানি আদালতের অবকাশকালীন ছুটিতে জরুরি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা গ্রহণ, শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য সারা দেশে ৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন। গত রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব (প্রশাসন-১) এ এফ এম গোলজার রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ও পরামর্শ অনুযায়ী অবকাশকালীন সময়ে জরুরি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ভ্যাকেশন জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার (মহানগর এলাকা ছাড়া) জন্য জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, ঢাকা মহানগর এলাকা, ঢাকার ১০টি বিশেষ জজ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করবেন বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. হাসানুল ইসলাম, খুলনা মহানগর এলাকার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ খুলনার বিচারক মো. আসাদুল্লাহ, রাজশাহী মহানগর এলাকার জন্য পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক মো. জুলফিকার উল্লাহ এবং রংপুর মহানগর এলাকার জন্য মহানগর দায়রা জজ মো. মশিউর রহমান খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সারাদেশে ৭২ জন বিচারককে ‘ভ্যাকেশন জজ’ হিসেবে নিয়োগের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ভ্যাকেশন জজরা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮–এর সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে জরুরি ফৌজদারি মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭ অনুযায়ী জরুরি দেওয়ানি মামলা গ্রহণ ও শুনানির ক্ষমতাও তাদের দেওয়া হয়েছে।

শিশু আইন, ২০১৩–এর আওতায় গঠিত শিশু আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।অবকাশকালীন সময়ে ভ্যাকেশন ডিউটিতে থাকা বিচারকেরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তারা ১৫ দিনের অবকাশকালীন ভাতাও পাবেন। নিজ কর্মস্থলের বাইরে দায়িত্ব পালন করলে বিধি অনুযায়ী টিএ/ডিএও প্রাপ্য হবে।

শ্রম আদালত, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল, কোর্ট অব সেটেলমেন্ট এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালকে অবকাশকালীন ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

ভোলায় বেলার সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জনের আহ্বান

ভোলা প্রতিনিধি: মোঃ সুলাইমান
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ণ
ভোলায় বেলার সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জনের আহ্বান

একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এর ব্যবহার বর্জনে উদ্বুদ্ধ করতে ভোলায় সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ভোলার মাছুমা খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এ প্রচারাভিযানের আয়োজন করে। এতে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক-পলিথিনের ক্ষতিকর দিক এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

প্রচারাভিযানে বলা হয়, প্লাস্টিক মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠলেও ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেওয়ায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। পলিথিন ও প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা ও জৈবগুণ নষ্ট করার পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত করছে। একই সঙ্গে ড্রেন ও নালা-নর্দমায় জমে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে জলাবদ্ধতা বাড়াচ্ছে।

এ ছাড়া প্লাস্টিক বর্জ্য জলজ প্রাণীর জীবন ও প্রজনন ব্যবস্থার জন্য হুমকি তৈরি করছে। খাদ্যচক্রের মাধ্যমে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর রাসায়নিক মানবদেহে প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে বলেও প্রচারাভিযানে সতর্ক করা হয়। বিশেষ করে প্লাস্টিকের বিভিন্ন উপাদানে থাকা সম্ভাব্য কার্সিনোজেনিক ও এনডোক্রাইন-বিঘ্নকারী রাসায়নিকের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রচারাভিযানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বন্ধে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয় তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে পলিথিন ব্যাগের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাত, বিক্রি, মজুদ, বিতরণ ও ব্যবহার বন্ধে বিদ্যমান আইনি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে প্লাস্টিক-পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয়।

এজন্য জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ব্যবহারের পর দ্রুত প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যায়—এমন পরিবেশবান্ধব উপাদান ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তারা আরও বলেন, পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে প্লাস্টিকের পরিবেশগত ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হলেও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও মানবজীবন রক্ষায় প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

আয়োজকরা বলেন, সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে কালিয়ার শুক্তগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

মোঃ রাসেল হুসাইন, নড়াইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে কালিয়ার শুক্তগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের শুক্তগ্রাম উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির মাঠের জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। অতিরিক্ত বৃষ্টি, পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা না থাকা এবং নিচু জায়গার কারণে বিদ্যালয়টি পানিতে ডুবে থাকে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।

বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশপাশের এলাকায় পানি জমে থাকায় এবং পয়োনিষ্কাশনের সুব্যবস্থা বা বালু ভরাটের ব্যবস্থা না করায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের সামনের মাঠজুড়ে পানি জমে রয়েছে। কোথাও হাঁটুসমান পানি, আবার কোথাও কাদা ও আগাছায় ভরে আছে। স্কুল মাঠে বিচরণ করছে হাঁস। ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশ ও বের হতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে ওই বাড়ির বাসিন্দারাও অস্বস্তিত বোধ করছেন।

স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা জানায়, স্কুলে মাঠে পানি জমে থাকায় তারা অন্যের বাড়ীর ওপর দিয়ে আসলে তারা রাগ করে। মাঠে পানি জমে থাকায় তারা খেলাধুলা করতে পারেনা। তাই দ্রুত বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং যাতায়াতের উপযুক্ত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছে তারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পানি জমে যায়। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশও অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এ ছাড়া দুষিত পানিতে চলাচলের ফলে নানা ধরনের চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে বিদ্যালয়টিকে জলাবদ্ধতামুক্ত করা হোক।

এ বিষয়ে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোনিয়া পারভিন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে স্কুলের প্রধান গেইট বন্ধ হয়ে গেছে। স্কুলে আসতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের অন্যের বাড়ীর ওপর দিয়ে আসতে হয়। তবে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে মাপ নিয়েছেন বলে জানান। দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন করে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বা ওই ক্লাষ্টারের এটিও বিষয়টি আমাকে জানায়নি। আপনাদের মাধ্যমে অবগত হলাম। সমস্যা নিরসনে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে তিনি দেখা করতে বলেছেন।

জয়পুরহাটে বিচার ব্যবস্থা গতিশীল করতে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাটে বিচার ব্যবস্থা গতিশীল করতে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেসির মধ্যে সমন্বয় জোরদার, বিচারিক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করার লক্ষ্যে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে জয়পুরহাট চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জয়পুরহাটের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাজুল ইসলাম মিঞা।

কনফারেন্সে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিচারিক কার্যক্রমের অগ্রগতি, মামলা নিষ্পত্তির গতি বৃদ্ধি এবং পুলিশ ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিলন চন্দ্র পাল, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ আতিয়ারা আকতার, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাসির উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহাইমেনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পিপি টিএম মোজাহিদ আজিজ, প্রবেশন অফিসার শারমিন সুলতানা। এছাড়া বিচার বিভাগের কর্মকর্তা ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, তদন্ত কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের জন্য বিচারিক ও আইনগত সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কনফারেন্সে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেসির মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নিয়মিত এ ধরনের সমন্বয় সভা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।